Breaking News
Home / নারী / নারীর জীবনধারা / স্বামীকে বশ করার আমল ও দোয়া

স্বামীকে বশ করার আমল ও দোয়া

স্বামীকে বশ করার আমলস্বামীদের মধ্যে অনেক স্বামী আছে যারা স্ত্রীকে সময় ও সান্নিধ্য দেয় না অথবা দিতে চায় না। নিজের প্রয়োজন হলে কেবল শুধু স্ত্রীর কাছে যায় এবং প্রয়োজনীয়তা শেষ করে চুপসে যায়।

প্রেম-ভাব প্রকাশ ত দূরের বিষয়, অনেক স্বামী স্ত্রীর সঙ্গে দ্বায় ছাড়ার মতো কথা বলে। স্ত্রীর সঙ্গে মন খুলে কথা বলে না, গল্প করে না এমন কি নিজের সুখ দুঃখ ভাগ করে না।

স্ত্রীর কথা শুনতে আগ্রহী নয়, স্ত্রী স্বামীর কাছে থেকে কি চায় সেদিকে আহমক স্বামীদের লক্ষ্য থাকে না। প্রেম-ভালোবাসাহীন স্বামীর কাছ থেকে পাওয়া এই অসদ আচরণ স্ত্রীর কাছে কেবল নিজেকে স্বামীর যৌন উপভোগের বস্তু  মনে হয়। যা একজন স্ত্রীকে ভীষম কষ্ট ও পীড়া দেয়।  স্বামীর এই অসদ আচরণ একজন স্ত্রী কোন ভাবেই মেনে নিতে পারেনা।

তাই প্রেম-ভালোবাসাহীন স্বামীর কাছ থেকে নিজের  ভালোবাসার অধিকার আদায় করতে, স্বামীকে নিজের সান্নিধ্যে আনতে, বহু নারী পীর ফকিরদের কাছে ধরণা দেয়, তাবিজ-কবজ ও তদবিরের পিছনে টাকা পয়সা ব্যয় করে। তাদের সেই প্রচেষ্টা কতটুকু কাজে দেয় সেটা সেসব নারীরাই সঠিক বলতে পারবে। কিন্তু আপনি পীর ফকিরদের পিছনে না দৌঁড়িয়ে স্বামীর প্রেম ভালোবাসা আদায় করতে  কিছু আমলের দ্বারা স্বামীকে বশ করার চেষ্টা করতে পারেন।

স্বামীকে বশ করার আমল

২ রাকাত নফল নামায বা সালাতুল হাজত পড়িবেন। (উদ্দেশ্য পূরনের নামাজ)

সালাতুল হাজতের প্রথম রাকাতে সূরা ফাতেহার পর সূরা কাফিরুন ১১ বার পড়িবেন।

দ্বিতীয় রাকাতে সূরা ফাতেহার পর সূরা ইখলাছ ১১ বার পড়িবেন।

ছালাম ফিরানোর পর দুরুদ শরীফ ৭ বার পড়িবেন।

এরপর ইয়া ওয়াদুদু ৩১৩ বার পড়িবেন।

তারপর আবারও দুরুদ শরীফ ৭ বার পড়িবেন।

পরে মুনাজাত করিবেন। এই মুনাজাতে মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে আপনার চাওয়া পাওয়ার বাসনা গুলো তুলে ধরবেন।

দোয়া কবুল হওয়ার ভাল সময়

হাদীস শরীফে বর্ণনা করা হয়েছে যে, “শেষ রাতে, সুবহে সাদিক, সূর্যোদয়ের সময় ও বৃষ্টির সময় দোয়া কবুল হয়।”

স্বামীকে বশ করার আমল-তাবিজ সব কিছু নয়!

স্বামীর প্রেম ভালোবাসার পাওয়ার জন্য তাবিজ-কবজ ও আমল সব কিছু নয়। স্বামীর কাছ থেকে ভালোবাসা পেতে হলে স্বামীকেও নিজের ভালোবাসা উজার করে দিতে হবে। খোলা মনে নিজের ভাব প্রকাশ করতে হবে। স্বামী স্ত্রীর কাছে কি আশা করে স্ত্রী হিসেবে জানার চেষ্টা করতে হবে এবং বুঝতে হবে। নিজেকে স্বামীর কাছে সেরা বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে। এসব করা ব্যতীত স্বামীর প্রেম ভালোবাসা পাওয়ার জন্য হাতে তসবি নিয়ে জপতে থাকলে কোন কাজ হবে না।

পরামর্শঃ স্বামীকে নিজের বশের আনার জন্য বা নিজের সান্নিধ্যে রাখার জন্য স্বামী খুশি হয় এমন সব কাজ করুণ। নিজেকে আদর্শ স্ত্রী ও নারী হিসেবে গড়ে তুলুন। এসব জানতে ও শিখতে নিচের একটি আর্টিকেল ও দুইটি বই পড়ুন।

আর্টিকেল ঃ স্বামীকে খুশী করার কাজ ও করনীয়। 

বই ঃ আদর্শ স্বামী স্ত্রী ২ । 

বইটি একজন আদর্শবান স্ত্রী হওয়ার দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং অন্য নারীরা তাদের স্বামীকে কিভাবে বশ করেছেন তাঁর গল্প লেখক তুলে ধরেছেন। তাই আপনি আদর্শ স্বামী স্ত্রী ২ বই টি পড়ুন। এখানে ক্লিক করুণ।

বইঃ আদর্শ নারী বা রমণী। 

নিজেকে আদর্শ নারী হিসেবে গড়ে  তুলতে এই বইটি পড়ুন। বইটি একজন আদর্শ নারী হওয়ার উপায় ও গুণাবলি তুলে ধরা হয়েছে। বইটি আপনাকে নিজের ঘর ও পাড়া প্রতিবেশীদের কাছে আপনাকে  ব্যক্তিত্ববান হওয়ার কলা-কৌশল ও উপায় তুলে ধরা হয়েছে। তাই আপনি  আদর্শ রমণী বইটি পড়ুন। বইটি পড়তে>> এখানে ক্লিক করুণ।

লিখেছেনঃ সৈয়দ রুবেল। (প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদকঃ আমার বাংলা পোস্ট.কম)

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

নববধূদের ব্লাউজের ডিজাইন

নববধূদের ব্লাউজের ডিজাইন-১১-২০

নতুন ৫৪টি নববধূদের ব্লাউজের ডিজাইন বা নকশা দেখুন। টপ ৫৪ টি ব্লাউজের নকশা থেকে এই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE